ছোটবেলার থেকে পরিবারের সাথে ভারতের বিভিন্ন জায়গায় ঘোড়ার সুযোগ হয়েছে আমার. তাই এই ইঁট কাঠ পাথরের বাইরের জগৎটাকে কখন যে ভালোবেসে ফেলেছি সেটা মনে নেই. পরবর্তী কালে কাজের সূত্রেই এমন কিছু মানুষের সাহচর্যে এসেছি যারা এই ভালোবাসাকে আরো গভীর ও নির্দিষ্ট দিশা দিয়েছে. প্রথম থেকেই প্রকৃতির ছবি তোলার খুব শখ ছিল আমার, যেখানেই যেতাম ছবি তোলার দায়িত্বটা আমার কাঁধেই থাকতো. আর সেই শখটাই আজ বিভিন্ন জায়গায় তাড়িয়ে বেড়ায় আমাকে.

এই ঘুরতে ঘুরতেই একটা নতুন জায়গার সন্ধান পাই, শুনলাম সেখানে নাকি অনেক পাখি পাওয়া যায়. দোল বানিয়ে ছুটলাম সেইদিকে. জায়গাটা হলো দার্জিলিং পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত লাটপঞ্চার. নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে মাত্র ৩ ঘন্টার মধ্যেই পৌঁছে যাওয়া যায় এখানে. আমরা যখন পৌঁছলাম তখন প্রায় বেলা হয়ে এসেছে.

এলাকার সবথেকে পরিচিত মানুষ পদম গুরুং এর বাড়িতেই আমাদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল. পদমজী এবং ওনার পরিবারের আন্তরিকতা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না. সেদিনের মতো পায়ে হেঁটে ছোট্ট সাজানো গ্রামটা ঘুরে দেখলাম আমরা.

পরদিন খুব সকালে বেরিয়ে পড়লাম মহানন্দা ওয়াইল্ড লাইফ sanctuary -র বিভিন্ন জায়গায়. ঘুরে বেড়ালাম পাখির স্বর্গরাজ্য লাটপঞ্চারে. প্রায় ২৫০ রকমের পাখি পাওয়া যায় এখানে. যার মধ্যে সবথেকে দুর্লভ হলো ধনেশ. যার খোঁজে সারা ভারতের পাখি প্রেমীরা ছুটে আসে এখানে.

এখান থেকে কাছাকাছি আরো কয়েকটা জায়গা ঘুরে দেখা যেতে পারে, যেমন আহালদারা, সিটং প্রভৃতি. প্রকৃতির কাছাকাছি, রং বেরঙের পাখি, দার্জিলিং পাহাড়ের অপার্থিব সৌন্দর্য আর গুরুং পরিবারের আন্তরিকতা উপভোগ করতে একবার চলে আসুন এখানে. কথা দিলাম প্রকৃতি আপনাদের আপন করে নেবে.

গাড়ি ও থাকবার জন্য যোগাযোগ করুন এই নম্বরে:
পদম গুরুং: +91 8926015477 / 8906232202 / 9475959974

4 COMMENTS

    • ধন্যবাদ আপনাকে। আপনি ঠিকই বলেছেন পাখির নাম গুলো আমার দেওয়া উচিত ছিল।

  1. Sattyi Darun likhchish….aar tor poramorse eibar noi dubaar ghure nilam Latpanchar Aar Ahaldara ….really darun jaiga Aar sattyi Padam Gurung r aatithiyota asadharan

    Thanks Bhai …

  2. Beautifully depicted and portrait…Padam gurung and parag gurung really great man… latpanchar is really a birder’s paradise…

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here